খুঁড়ি পাটালি গুড়

980.00৳ KG

14 People watching this product now!

Mazra-এর প্রিমিয়াম খুঁড়ি পাটালি গুড় তৈরি হয় সম্পূর্ণ ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে। ঘন সুগন্ধি, মোলায়েম টেক্সচার এবং বিশুদ্ধ স্বাদ—সব মিলিয়ে এটি বাজারের সেরা মানের পাটালি গুড়গুলোর একটি। শীতের পিঠা, মোয়া ও ঘরোয়া রান্নায় এর স্বাদ আলাদা মাত্রা যোগ করবে।

## খাঁটি খেজুর গুড় – প্রাকৃতিক স্বাদ ও পুষ্টির নির্ভরযোগ্য উৎস

বাংলার শীতকাল মানেই খেজুর গুড়ের মৌসুম। নভেম্বর থেকে মধ্য মার্চ পর্যন্ত খেজুর গাছ থেকে সংগৃহীত তাজা রস ব্যবহার করে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে প্রস্তুত করা হয় আমাদের খেজুর গুড়। গাছের কাণ্ডে নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে কলসি বেঁধে রস সংগ্রহ করা হয় এবং সেই রস তাজা অবস্থাতেই জ্বাল দিয়ে গুড় তৈরি করা হয়, যাতে স্বাদ ও পুষ্টিগুণ অটুট থাকে।

সংগৃহীত রস ধীরে ধীরে মাটির চুলায় মাঝারি আঁচে জ্বাল দেওয়া হয়। জ্বাল দেওয়ার সময় রসের উপরিভাগের ফেনা নিয়মিত তুলে ফেলা হয়, ফলে গুড় হয় পরিষ্কার, সুগন্ধযুক্ত ও উন্নত মানের। কোনো ধরনের কেমিক্যাল, রং বা প্রিজারভেটিভ ব্যবহার করা হয় না।

## কেন Mazra খেজুর গুড় আলাদা

* সম্পূর্ণ নিজস্ব তত্ত্বাবধানে রস সংগ্রহ ও গুড় প্রস্তুত
* ১০০% কেমিক্যাল ও রাসায়নিক মুক্ত
* বৃহত্তর যশোর অঞ্চলের ঝিনাইদহ জেলার প্রত্যন্ত এলাকার প্রায় ১০০০টি খেজুর গাছের রস থেকে প্রস্তুত
* প্রতিটি গাছ থেকে ৪–৫ দিন অন্তর রস সংগ্রহ, ফলে গুণগত মান সর্বোচ্চ
* পাঁচ ধরনের খেজুর গুড় উপলব্ধ:

* পাটালি গুড়
* দানাদার ঝোলা গুড়
* ঝোলা গুড়
* খুঁড়ি পাটালি
* চকলেট গুড়
* ১ কেজি ও ২ কেজির নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত প্যাকেজিং

 

## খেজুর গুড়ের উপকারিতা

খেজুর গুড় প্রাকৃতিকভাবে ক্যালসিয়াম, আয়রন ও ম্যাগনেসিয়ামে সমৃদ্ধ। এটি রক্তস্বল্পতা কমাতে সহায়ক এবং শরীরে হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে খেলে হজমশক্তি উন্নত হয় এবং রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

শীতকালে শরীর উষ্ণ রাখতে ও সর্দি-কাশি জাতীয় সমস্যায় ঐতিহ্যগতভাবে খেজুর গুড় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে এটি এড়িয়ে চলা উচিত।

 

## ব্যবহার

* পিঠা, পায়েশ ও ঐতিহ্যবাহী দেশি মিষ্টান্নে
* নারিকেল গুড়ের মিষ্টি ও সন্দেশ তৈরিতে
* দৈনন্দিন খাদ্যে চিনি বা মধুর স্বাস্থ্যকর বিকল্প হিসেবে

 

## সংরক্ষণ নির্দেশনা

খেজুর গুড় সংরক্ষণের জন্য মাটির পাত্র বা কাঁচের বোতল ব্যবহার করা উত্তম। ঠান্ডা, শুষ্ক ও আর্দ্রতামুক্ত স্থানে রাখলে গুড় দীর্ঘদিন ভালো থাকে। সংরক্ষণের আগে গুড় সম্পূর্ণ ঠান্ডা করে নেওয়া জরুরি।